গ্রামীণ ব্যাংক রক্ষায় এগিয়ে আসার আহ্বান
>>>>গ্রামীণ ব্যাংক রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন দেশের ২০১ জন বিশিষ্ট নাগরিক।
শনিবার কবি আবদুল হাই শিকদার স্বাক্ষরিত শত নাগরিক জাতীয় কমিটির এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়।
এতে বিশিষ্টজনেরা বলেন, ‘সরকার নিযুক্ত চেয়ারম্যানের নিকট ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগের ক্ষমতা দেয়া দুরভিসন্ধিমূলক ও অযৌক্তিক। সরকারের এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানাই।’
একই সাথে এ বিষয়ে সোচ্চার প্রতিবাদ জানাতে দেশের বিবেকবান সকল মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।
বিবৃতিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ, এম মনিরুজ্জামান মিঞা, ড. আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী, এসএমএ ফায়েজ, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুর রউফ, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. এমএ মাজেদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. তালুকদার মনিরুজ্জামান, সাবেক সচিব মোহাম্মদ আসাফ্উদ্দৌলাহ, সাংবাদিক সাদেক খান, শিক্ষাবিদ ড. মাহবুব উল্লাহ, অধ্যাপক আফম ইউসুফ হায়দার, ড. ওয়াকিল আহমেদ, ড. খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান, ড. সদরুল আমিন, ড. তাজমেরী এসএ ইসলাম, ড. মোসলেহ উদ্দীন তারেক, সাংবাদিক আমানুল্লাহ কবীর, আলমগীর মহিউদ্দিন, রিয়াজ উদ্দিন আহমদ, রুহুল আমিন গাজী, শওকত মাহমুদ, ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী, অধ্যাপক আবু আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ার আ ন হ আখতার হোসেন, অ্যাডভোকেট মাহবুব হোসেন, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীনসহ ২০১ জন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘দেশের গৌরব একমাত্র নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের স্বপ্ন ও সাধনার ফসল গ্রামীণ ব্যাংক বর্তমান সরকারের রোষানলে পড়ে আজ ধ্বংসের মুখোমুখি।’
তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা মনে করি, সরকারি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ফলে গরীব নারীদের মালিকানায় পরিচালিত ব্যাংকটির স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বিলুপ্ত হবে। গরীব মহিলাদের কষ্টার্জিত সঞ্চিত অর্থ নিয়ে সরকারের দুর্নীতিগ্রস্ত নীতিনির্ধারকরা ছিনিমিনি খেলবে। অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানে যেভাবে দলীয়করণ-আত্মীয়করণের মচ্ছব চলছে, তারই বিষাক্ত ছায়া এ প্রতিষ্ঠানটিকেও গ্রাস করবে।’
এজন্য প্রতিষ্ঠানটি রক্ষায় বিশিষ্টজনেরা সরকারের এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান। একই সাথে এ বিষয়ে সোচ্চার প্রতিবাদ জানানোর জন্য দেশের বিবেকবান সকল মানুষকে এগিয়ে আসার আহবান জানা।











