0

সিলেট বিএনপি’র শনিকাল উত্তরণে শমসের মবিন চৌধুরীর নেতৃত্বে পুনর্গঠিত হচ্ছে জেলা ও মহানগর কমিটি

>>>> বিএনপি’র কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক এম. ইলিয়াস আলীকে আর ফিরে পাওয়া যাবেনা। এমনটাই ধরে নিয়েছে কেন্দ্রিয় ও স্থানীয় বিএনপি। তাই এখন টার্গেট ইলিয়াস ইস্যু নিয়ে জোরদার আন্দোলন। কিন্তু ইলিয়াস আলী নিখোঁজের পর সিলেট বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনে চলছে শনিকাল। নেতা নেই, দলের সাংগঠনিক কাঠামো নেই। বহুধা বিভক্ত সিলেট বিএনপি। যার যেমন ইচ্ছে তেমন ভাবেই বিএনপিকে ব্যবহার করা হচ্ছে। সমপ্রতি স্বেছাসেবক দল আর ইলিয়াস মুক্তি পরিষেদের ব্যানারে যেন বন্দী হয়ে পড়েছে বিএনপি। বড় কর্মসুচি এই সংগঠনের ব্যানারে উদযাপিত হয়। ইলিযাস আলী নিখোঁজের পর শামসুজ্জামান সহ কয়েকজন নেতার এমন তৎপরতা সিলেট বিএনপি’র গোদের উপর ফোঁড়া হয়ে দেখা দিয়েছে। এ অবস্থা থেকে দলকে উত্তরণের জন্য তৎপর হয়ে উঠছে কেন্দ্রিয় বিএনপি। সুত্রমতে, বিবদমান বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ করতে উদ্যোগ,নেয়া হযেছে। শীঘ্রই সমন্বয়ের মাধ্যমে জেলা ওমহানগরের কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ করা হবে। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দীর্ঘদিন থেকে পৃথকভাবে কর্মসূচি পালনকারী এবং নিস্ক্রিয় থাকা নেতৃবৃন্দকে সক্রিয় করা হবে। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সমপাদক এম ইলিয়াস আলী গুম ইস্যুতে সিলেটে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ করা ছাড়া কোনো উপায় নেই বলে মনে করছেন দলের নীতিনির্ধারনী পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। এজন্য রমযানের মধ্যেই দলের জেলা ও মহানগর কমিটি পুনর্গঠন করার উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র। ইতিমধ্যে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের পৃথক কর্মসূচি পালন থেকে বিরত থাকতেও উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন তারা। সুত্রমতে , বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদ্বেষ্টা শমসের মবিন চৌধুরীকে  একক ক্ষমতা দিয়ে সিলেট বিএনপিকে ঢেলে সাজানো হতে পারে। আগামী নির্বাচন পর্যন্ত জেলা বিএনপি’র কোন নতুন সভাপতি ঘোষনা না করে ইলিয়াস আলীর অবর্তমানে শমসের মবিন জেলা বিএনপি’র দায়িত্ব পালন করতে পারেন বলে সুত্রের আভাস। এছাড়া বিভদমান গ্রুপগুলোর মতামত নিয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে জেলা ও মহানগর বিএনপি’র কমিটিকে  পূর্ণাঙ্গ করা হবে। বিশ্বস্ত সুত্রে জানা গেছে আগামী ১লা আগস্ট একাংশের সহ-সভাপতি দিলদার হোসেন সেলিমের শহরের বাসায় জেলা কমিটি নিয়ে বসা। কেন্দ্র থেকে দেয়া দায়িত্বপ্রাপ্তরা ঐ দিন বসে সিলেট জেলা বিএনপির একটা কাটামো তৈরী করে হাই কমান্ডে পাঠানোর কথা। সাধারন নেতাকর্মীরা বলছেন দল বাঁচাতে এটা সময়পোযোগি পদক্ষেপ।আবার কেও কেও বলছেন পাঁচ নেতার কেউ কাওকে ছাড় দেয়ার মতো মন মানসিকতা নেই। এতে কোন ফলাফল বয়ে আনবে না।সব উদ্যোগ বেস্তে যাবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও যুগ্ম-মহাসচিব গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের উপস্থিতিতে এম ইলিয়াস আলীকে জেলা বিএনপির সভাপতি , দিলদার হোসেন সেলিম ও নুরুল হককে সহ-সভাপতি, আব্দুল গফফারকে সাধারণ সমপাদক এবং আলী আহমদকে সাংগঠনিক সমপাদক করে কমিটিঘোষণা করা হয় ২০১০ সালের নভেম্বরে। পরে সভাপতি ও সাধারণ সমপাদকের মাধ্যমে আরও বেশ কয়েকজনকে ওই কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ওই সম্মেলন চলাকালেই এর তীব্র বিরোধীতা করেন বিএনপি নেতা আবুল কাহের শামীম অনুসারি  হাজার হাজার নেতাকর্মীরা। তারাও একই দিনে মিতা কমিউনিটি সেন্টারে আবুল কাহের শামীমকে সভাপতি  এবং  সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুল মান্নানকে  সাধারণ সমপাদক করে জেলা বিএনপিরআরও একটি কমিটি ঘোষণা করেন। কিন্তু পরবর্তীতে তাদেরকে ওই কমিটির পদ ব্যবহার করতে দেখা না গেলেও মহানগর বিএনপি নেতা আরিফুল হক চৌধুরী, শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী ও জেলা বিএনপি নেতা আবুল কাহের শামীম পৃথকভাবে দলীয় কর্মসূচি পালন করতেন। তবে এম ইলিয়াস আলী গুম হওয়ার পর থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে ইলিয়াস ইস্যু নিয়ে আন্দোলন করেন তারা।বর্ষীয়ান নেতা এম সাইফুর রহমানের ইন্তেকালের পর দলে নতুন করে নেতৃত্ব সঙ্কট দেখা দিয়েছিল। তাঁর মৃত্যুতে সিলেট বিভাগে বিএনপির রাজনীতির গোটা দৃশ্যপট বদলে যায়। কেননা সাইফুর রহমানের অবস্থান ছিলো অভিভাবকের মতো। তার ইমেজ ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে শূন্যতা পূরণে কে হতে পারেন নতুন কাণ্ডারি তা নিয়ে দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে চলে আলাপ-আলোচনা । শেষ পর্যনন্ত হাল ধরেন নিখোজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াছ আলী। এরপর দল আস্তে আস্তে সচল হতে থাকে । তারপরও দলে বিভেদ থাকে। তবু তিনি এগিয়ে যেতে থাকেন দ্বি-খন্ডিত বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ করতে। পিছপা হননি বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলতে। সাইফুর রহমানের পর এম ইলিয়াস আলী ছিলেন সিলেট বিএনপির কান্ডারি। তাঁর উপস্থিতে প্রতিটি সভা-সমাবেশে কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি থাকতো উল্লেখযোগ্য। এর সত্যতা স্বীকার করে কোর্ট পয়েন্টের এক সমাবেশে সাবেক সংসদ সদস্য শফি আহমদ চৌধুরী বলেছিলেন ‘আমরা সভা ডাকলে তেমন মানুষ হয় না কিন্তু ইলিয়াস আলী ডাকলে  কয়েক হাজার মানুষ জড়ো হয়।

এদিকে ইলিয়াছ আলী নিখোজের পর সিলেট নগরীতে সব চেয়ে বড় সমাবেশ হয়েছে গত ১৮ জুলাই স্থানীয় কোর্ট পয়েন্টে। ইলিয়াছ মুক্তি পরিষদের ব্যানারে অনুষ্টিত এ সমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা গয়েশ্বর চন্দ রায়, শাম্মী আখতারসহ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক  এম ইলিয়াস আলী গুম হওয়ার আগেই কোন্দল ছিল সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের অনুসারী ও ইলিয়াস আলীর অনুসারীদের মধ্যে। এঅবস্থায় ইলিয়াস আলী কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলার দায়িত্ব লাভের পর তার একক আধিপত্যের বিস্তার ঘটতে থাকে। তিনি দলের বেশীর ভাগ জনশক্তিকে একত্র করার প্রয়াস চালিয়ে মোটামুটি সফল হয়েছিলেন। এসময় সাইফুর বলয় ছিলেন প্রায় কোণঠাসা। আবার সাইফুর পন্থীদের একাংশ লন্ডন বিএনপির নেতা মরহুম কমর উদ্দিনের আর্শীবাদে মহানগর কমিটিতে স্থান করে নেন। এতে মহানগর কমিটিতে সাইফুর পন্থীদের দাপট আরও খর্ব হয়। কেন্দ্র থেকে জেলা বিএনপিতে এম ইলিয়াস আলী সভাপতি ও আব্দুল গফফার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনের বিষয়টি স্বীকৃতি পায়। তবে পুর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি। এঅবস্থায় আবুল কাহের শামীম সভাপতি ও আব্দুল মান্নান সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নাম ঘোষণা করে একটি গ্রুপ দাঁড়াতে চেষ্টা করে। তারা বিভিন্ন কেন্দ্রীয় কর্মসূচি নগরীর আম্বরখানায় দলীয় কার্য্যালয় স্থাপন করে কিছু কর্মসূচি পালন করতে থাকেন। এদের সাথে এক সময় সাবেক মহানগর সভাপতি আরিফুল হক চৌধুরীর সখ্যতা দেখা যায়। এই গ্রুপে কেন্দ্রীয় সদস্য ডা. শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী সম্পৃক্ত ছিলেন। যুবদলের পুরো অংশ ও ছাত্রদলের একটি গ্রুপ এদের সাথে ছিল। অপরদিকে ইলিয়াস আলীর গ্রুপে মহানগর সভাপতি  এম এ হক, দিলদার হোসেন সেলিম, আব্দুল গফফার, আব্দুল কাইয়ুম জালালী ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান সক্রিয় ভাবে ছিলেন।

ছাত্রদলেরও গুম হওয়া নেতা উপশহরের ইফতেখার আহমদ দিনার, কেন্দ্রীয় তথ্য গবেষণা সম্পাদক মীরাবাজারের আব্দুল আহাদ খান জামাল, মহানগর সেক্রেটারী নুরুল আলম সিদ্দিকী খালেদ প্রমুখ ইলিয়াস আলী গ্রুপে ছিলেন। চলতি বছরের মার্চ মাসে উপশহরে ছাত্রদল নেতা সৈকত খুন হওয়ার পর ইলিয়াস আলী অনুসারীদের মধ্যে বড় ধরণের ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়। এর কিছু দিনের মধ্যে ছাত্রদল নেতা দিনার ও জুনেদ ঢাকা থেকে গুম হলে দলে বিভেদ আরও বেড়ে যায়। এর রেশ কাটতে না কাটতেই এম ইলিয়াস আলী গুম হলে দলের কার্যক্রম অনেকটা স্তিমিত হয়ে আসে। এ কারণে হাতে ইস্যু থাকার পরও ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে দাঁড়াতে পারেনি সিলেট বিএনপি এমন অভিযোগ তৃণমূল নেতাকর্মীদের। ছাত্রদল নেতা দিনারের স্ত্রী পিংকী মহানগর বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামানের ওপর ঢাকায় মামলা দায়ের করলে ইলিয়াস আলীর একান্ত আপন অনুসারীদের মধ্যে বিভক্তি রেখা ক্রমশঃ বড় হয়ে দেখা দেয়।দলের কোন্দল সর্ম্পকে সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি এমএ হক বলেন, সিলেটে মহানগর বিএনপি সুংগঠিত। দলের কর্মসূচি নিয়মিত পালন করা  হচ্ছে। দলে কোন বিরোধ নেই। সাবেক মহানগর আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা ডাঃ শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, সিলেট বিএনপিতে অভ্যনত্মরীণ সমস্যা আছে। তবে সেটা সমাধানও অসম্ভব কিছু নয়। আলোচনার মাধ্যমে এসব সমস্যার সমাধান হতে পারে। মহানগর বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক ও স্বেছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান বলেন, বিএনপির জনপ্রিয় নেতা এম ইলিয়াস আলী গুম হওয়ার পর সিলেট বিএনপিতে নেতৃত্ব সংকট সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান নেতৃত্ব দলের নেতা কর্মীদের আকাংখা অনুযায়ী আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যেতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। গত ১৭ এপ্রিল ইলিয়াছ আলী নিখোজ হওয়ার পর দিন সিলেটে যেভাবে প্রতিবাদ প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়েছিল এখন আর সেই আন্দোলন গড়ে উঠতে দেখা যাচ্ছে না। অপরদিকে নিখোজ হওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী ইস্যুকে কেন্দ্র করে সারা দেশে এমনকি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জোরালো আন্দোলন হলেও নামকাওয়াস্থে আন্দোলন হচ্ছে সিলেট নগরীতে। নেতৃবৃন্দ এজন্য প্রশাসনের কঠোর অবস্থানকে দায়ী করলেও সেরকম নেতৃত্বের অভাব অনুভব করছেন কর্মী-সমর্থকরা। অভ্যন্তরীণ কোন্দল এর অন্যতম কারণ বলে মনে করেন অনেকে। যুবদলের এক সিনিয়র নেতা বলেন দীর্ঘ ১০/১১ বছর পার হয়ার পরও যুবদলের নতুন কোন কমিটি আসছেনা, জুরাতালি দিয়ে সংগঠনের শক্তি বৃদ্ধি হয়না।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যুবদলের আরেক নেতা বলেন যুবদলের সভাপতি , সেক্রেটারি ও সাংগঠনিক সম্পাদকের মধ্যে বিভেদ না থাকায় সামর্থ্য অনুযায়ী আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথের সকল কর্মসূচিতে তারা অংশগ্রহন করেন।

গোটা জেলার মধ্যে বিশ্বনাথ-বালাগঞ্জ আসনের বিএনপি নেতা কর্মীরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বেশী। বিশ্বনাথ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী অলংকারী ইউপি চেয়ারম্যান লিলূ মিয়া বলেন, ১৮ এপ্রিল রাত আড়াইটায় আমাদের সাবেক এমপি এম ইলিয়াস আলীর গুমের খবর শুনার্ব  সস্তিতে থেকে তারা একমূর্হুতের জন্য  সস্ত নেই। সরকারি দল ও প্রশাসনের নির্যাতন, একাধিক মামলা, সর্বশেষ চেয়ারম্যান পদ থেকে সরিয়ে দিতেও কার্পণ্য করছেনা তারা। এই দুর্যোগ মূর্হুতে দলের নেতা কর্মীরা অসহায় হয়ে পড়েছেন। কিছু কান্ডারীহীন অবস্থায় চলছেন তারা। মামলার জামিনের জন্য সিলেট ও ঢাকার উচ্চ আদালতে যেতে হচ্ছে। এই অবস্থায় তারা অনেকটা দিকহারা।প্রসঙ্গত,বিএনপির মতবিরোধ ও গ্রুপিং ছাড়াও দলের ভ্যানগার্ড হিসেবে পরিচিত ছাত্রদল ৫/৬ গ্রুপে বিভক্ত। অভ্যন্তরীণ কোন্দলে সিলেটে ছাত্রদলের মধ্যেই বেশী খুনাখুনী হয়েছে গত দুই যুগে। এলাকা ভিত্তিক তুচ্ছ ঘটনার কারণে ছাত্রদল নামধারীদের মধ্যে সৃষ্ট হাঙ্গামা সাধারণ নাগরিকদের মনে নেতিবাচক ধারণার জন্ম অতীতের মতো বর্তমানেও বহাল রয়েছে।  স্বেচ্ছাসেবক দল আলাদা কর্মসূচি পালন করছে। এসব কারণে মহিলাদল, জাসাস. শ্রমিকদল এমনকি ওলামা দলেও বিভক্তি পরিলক্ষিত হচ্ছে। জকিগঞ্জ, কানাইঘাট, বিয়ানীবাজারসহ একাধিক উপজেলায় বিএনপি দুই গ্রুপের অস্থিত্ব বজায় রয়েছে। ছাত্রদল ও অন্য অঙ্গ সংগঠন সহ বিএনপি ঐক্যবদ্ধ ভাবে মাঠে নামলে সিলেটে রাজনীতিতে দলের অবস্থান আরও শক্তিশালী হত এবং আন্দোলনের কর্মসূচি গুলো এভাবে ঢিলে-ঢালা চলত না বলে মনে করেন তৃণমূলের নেতা কর্মীরা। এজন্য রমযানের মধ্যেই দলের জেলা ও মহানগর কমিটি পুর্নগঠন করার উদ্যোগ নিইয়েছে কেন্দ্র।

About the Author

মন্তব্য গ্রহণ বন্ধ আছে।

  • Bangla Radio 24

  • ফায়ারফক্সে স্বয়ংক্রীয় ক্রিকেট স্কোর দেখুন

  • বিজ্ঞাপন

  • সিলেট সংবাদ ডটকম

  • কোন বাঁধা মানবো না


  • ......................

  • ক্যালেন্ডার

  • 123 ...................... slide11
  • অনুসন্ধান-ক্যালেন্ডার

    জুলাই 2012
    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহঃ শুক্র
    « জুন   অগা »
     123456
    78910111213
    14151617181920
    21222324252627
    28293031  
  • Recent Comments

  • বিজ্ঞাপনের জন্য বরাদ্দ। আমাদের ওয়েব সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুন। ইমেইল: sylhetsangbad24[@]gmail.com,

    >>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>> 222222221
  • নচিকেতা-বৃদ্ধাশ্রম