বিয়ানীবাজারে রমজানের বাজারে আগুন : নেই মনিটরিং
এটিএম তুরাব, বিয়ানীবাজার থেকে : বিয়ানীবাজারে রমজানের বাজারে আগুন। লাফিয়ে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম ক্রমশঃ বেড়েই চলেছে। লবণ, ডালের বাজার কোন রকমে স্থিতিশীল থাকলেও বাড়ছে চাল, চিনি, ভোজ্য তৈল, আটা-ময়দা, পেঁয়াজ-রসুন, আদা, হলুদ-মরিচ ও চিড়ার দাম। সবচেয়ে বেশি সবজির বাজার ঊর্ধ্বমুখী। রমজানের শুরু থেকেই বেড়ে গেছে সবজিসহ বিভিন্ন কাঁচাপণ্যের দাম। সবজির দাম বেড়েছে কিজি প্রতি ৮ থেকে ১০ টাকা। তবে দাম বৃদ্ধির প্রতিযোগিতায় সবকিছুকে ছাড়িয়ে গেছে লেবু টমেটো। মাত্র একদিনের ব্যবধানে লেবুর হালি হয়ে গেছে দ্বিগুণ আর অন্য দিকে টমেটোর দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে ফুটপাতের বাজারসহ কাঁচা বাজারে ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
রমজানে শুরু পূর্বে লেবুর দাম ছিল হালি ৮ থেকে ১০ টাকা। এখন ১৫ থেকে ২০ টাকা। প্রথম রোজায় টমেটো ছিল প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৪০ টাকা। এখন ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচ এবং বেগুনের দামও বেড়েছে। কাঁচা মরিচ কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০টাকা দরে। বেগুন প্রতি কেজি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা দরে। ধনিয়া পাতা বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা প্রতি কেজি। এছাড়া শসা ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, পটল ৩০ থেকে ৩৫, পেঁপে ৩০ টাকা, ঢ়েঁড়স ও করলা ৩০ থেকে ৩৫ টাকা দরে এবং বরবটি ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
তাছাড়া প্রশাসনের বাজার মনিটরিংয়ের অভাবে ব্যবসায়ীরা নিজেদের ইচ্ছে মতো প্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি বৃদ্ধি করাসহ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা না গেলে উল্লে¬খিত জিনিসপত্রের দাম কমবে না বলে ব্যবসায়ীরা জানান। চালসহ বিভিন্ন সামগ্রীর দাম বৃদ্ধি পাওয়ার স্বল্প আয়ের সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। অপরদিকে মাছ, মাংস, ডিম, শুটকি, তরি-তরকারীর দাম অনেক চড়া। কাঁচা বাজারে গিয়ে ক্রেতারা হতাশ। চাল কিনলে বাজার করার টাকা থাকে না। মাছ, মাংস দূরে থাক শাক-সবজিও কেনার সামর্থ্য থাকছে না অনেকের।











