মদনমোহন কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে ব্যাপক সংঘর্ষ : আহত ১০
>>>>>এম.সি কলেজের হোস্টেল পুড়ানোর ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই গতকাল মঙ্গলবার মদনমোহন কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে নগরীতে গাড়ি ভাংচুর ও সড়ক অবরোধ হয়েছে। দুপক্ষের মধ্যে বিরাজ করছে তীব্র উত্তেজনা। আহত হয়েছে কমপক্ষে ১০ জন। যে কোন সময় এ নিয়ে ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাঁধতে পারে। এদিকে, নগরীর টিলাগড়ে ছাত্রলীগের বিবদমান পংকজ ও বাবলা গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, গতকাল মঙ্গলবার মদনমোহন কলেজে ছাত্রলীগের পিযুষ ও অরুণ দেবনাথ সাগর গ্রুপের সিনিয়র-জুনিয়র দুই কর্মীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।
এক পর্যায়ে দুপক্ষ সমঝোতায় বসে। সমঝোতা চলাকালে পুলিশের উপস্থিতিতে পিযুষ গ্র“পের কর্মীরা সশস্ত্র অবস্থায় ক্যাম্পাসে এসে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। দু’গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালেই পিযুষ গ্র“প ক্যাম্পাসের বাইরে চলে আসে। এরপর অরুণ গ্রুপের অর্ধ শতাধিক কর্মী ইট পাটকেল নিক্ষেপ করতে করতে পিযুষের আস্তানা জল্লারপার চলে আসে। তারা একটি প্রাইভেট কার ও একটি দোকান ভাংচুর করে। রাস্তায়ও টায়ার পুড়িয়ে বিক্ষোভ করে। এখান থেকে পুনরায় তারা ক্যাম্পাসে গিয়ে চেয়ার-টেবিল ভাংচুরের চেষ্টা চালায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুপক্ষই সশস্ত্র অবস্থানে রয়েছে। সংঘর্ষে আহত অরুণ গ্রুপের কর্মী রাসেল নামের এক ছাত্রলীগ কর্মীকে নগরীর আইডিয়াল ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। যোগাযোগ করা হলে কোতয়ালী থানার ওসি আতাউর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এ ব্যাপারে পরে কথা বলবেন বলে জানান। প্রসঙ্গত, গত রবিবার সন্ধ্যায় এম.সি কলেজ ছাত্রলীগ শিবির সংঘর্ষের জের ধরে এম.সি কলেজ ছাত্রাবাস পুড়িয়ে দেয়া হয়। এর জের ধরে ঐদিন রাতে টিলাগড় পয়েন্টে ছাত্রলীগের জেলা সভাপতি পংকজ দাস পুরকায়স্থ এবং বাবলা চৌধুরী গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এ নিয়ে দুপক্ষ এখনো মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে।











