নবীগঞ্জে ডাকাতিকালে সুন্দরী যুবতীদের ইজ্জতহানি : জনতার হাতে ১০ ডাকাত আটক
এম,এ,আহমদ আজাদ নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) : নবীগঞ্জের বিভিন্ন গ্রামে সিরিজ ডাকাতি করে নারীলোভে জনতার হাতে ধরা পড়েছে ১০ ডাকাত। সোমবার দিবাগত রাতে তিনটি স্থানে ডাকাতি শেষে সমরগাও গ্রামের আব্দুল মতিনের বাড়িতে শেষ রাতে ডাকাতরা হানা দেয়। ঐ বাড়িতে ছিল সুন্দরী কয়েক যুবতী। তাদের প্রতি লোলুপ দৃষ্টি পড়ে ডাকাতদলের সর্দার সহ অন্যান্যদের। এখানে ডাকাতি না করে যুবতীদের ইজ্জতহানির চেষ্টা করলে শুরু হয় ধস্তাধস্তি ও একপর্যায়ে ঘটে রহস্যজনক কান্ড আর শেষ হয়ে যায় রাত। তখন পালিয়ে যাওয়ার সময় বাড়ির লোকজনের চিৎকারে স্থানীয় জনতা ধাওয়া করে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ১০ সদস্যকে আটক করে।খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার টহল পুলিশ হাজির হয় রক্ষা করা হয় গনপিটুনির হাত থেকে। পুলিশ ডাকাতদলের কাছ থেকে ডাকাতির কিছু মালামাল উদ্ধার করেছে । এ ঘটনায় মতিন মিয়ার স্ত্রী বাদী হয়ে মামলা করেছেন।পুলিশ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে,ওই দিন রাতে ১৪/১৫ জনের একদল ডাকাত প্রথমে নবীগঞ্জ পৌর এলাকার আক্রমপুর লোকনাথ আশ্রমের তালা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে নগদ টাকা ও অন্যান্য মালামাল লুটপাট করে নেয়। এর কিছুক্ষন পরেই কুর্শি ইউনিয়নের বাংলা বাজারে উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক আমিনুর রশীদ চৌধুরী খোকন এর বাসায় হানা দেয়। এ সময় ডাকাতদল গ্রীলের তালা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে বাড়ীর লোকজনকে মারপিট করলে তাদের চিৎকারে পার্শ্ববর্তী লোকজন উঠে গেলে তারা পালিয়ে যায়। শেষে রাত সাড়ে ৩টার দিকে বাংলাবাজার-গোপলার বাজার সড়কের সমরগাও গ্রামের আব্দুল মতিনের বাড়ীতে ডাকাত দল হানা দেয়। এ সময় ডাকাতদল বাড়ীর লোকজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি ও মারধোর করে লুটপাট চালায়। ঐ বাড়িতে ছিল সুন্দরী কয়েক যুবতী। তাদের প্রতি লোলুপ দৃষ্টি পড়ে ডাকাত দলের সর্দার সহ অন্যান্যদের। এখানে ডাকাতি না করে যুবতীদের ইজ্জতহানির চেষ্টা করলে শুরু হয় ধস্তাধস্তি ও একপর্যায়ে ঘটে রহস্যজনক কান্ড আর শেষ হয়ে যায় রাত। তখন পালিয়ে যাওয়ার সময় বাড়ির লোকজনের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ডাকাতদের ধাওয়া করে প্রথমে ৫ ডাকাতকে ধরে ফেলে। পড়ে ঘটনার খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ এসে স্থানীয় জনতাদের নিয়ে যৌথ অভিযানে বিভিন্নস্থান থেকে ৩ ডাকাতকে আটক করে। এবং সকাল ৭ টায় ঢাকা- সিলেট মহাসড়কের আউশকান্দি বাজারের নিকট উলুকান্দি ব্রীজের নীচ থেকে আরো ২ ডাকাতকে জনতা আটক করে । আটককৃত ডাকাতরা হলো ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট থানার মংগ্রা গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে সাদিমুল ইসলাম উজ্জল(২০),মাধবপুর থানার সাতপাড়িয়া গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে বাবুল মিয়া(২২),শিবপুর গ্রামের আব্দুর নুরের ছেলে আশিক মিয়া(২৫),চাদ বাড়িয়া গ্রামের মন্নর আলীর ছেলে ফরাস উদ্দিন(৩৩),হবিগঞ্জের রামনগর গ্রামের রেশম আলীর ছেলে আব্বাস মিয়া(২৭),বাহুবলের আলকু মিয়ার ছেলে তামিম আলী(৩০),নবীগঞ্জ পৌর শহরের আনমনু গ্রামের ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে করফুল মিয়া(২৩),কুড়িগ্রামের পশ্চিম নাগেশ্বরী গ্রামের মোজাম্মেল হকের ছেলে ফরিদুল ইসলাম(২৬) ও নবীগঞ্জের মিলি¬ক গ্রামের কাদির মিয়ার ছেলে জুলহাস মিয়া(২৭) সমরগাও গ্রামের তাজিম উল্লার ছেলে আল-আমিন (৩০)। স্থানীয় মেম্বার আবদাল মিয়া বলেন ডাকাতির ঘটনাটি মর্মান্তিক । এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ওসি মোঃ আব্দুল বাছেদ বলেন, ডাকাতির খবর পেয়ে সাথে সাথে পুলিশ পৌছে ডাকাতদের গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। পালিয়ে যাওয়া অন্য ডাকাতদের গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মেয়েদের ইজ্জতহানির বিষয়টি মেয়ের মা মামলায় উল্লেখ করেননি।











