পুঁজিবাজারে ব্যাপক পতন : বিক্ষোভ ঠেকাতে নিরাপত্তা জোরদার
>>>>মূল্য সূচকের একটানা নিম্নমুখী প্রবণতায় মঙ্গলবার দেশের উভয় পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু হয়েছে। শুরুতে পতনের মাত্রা বরাবরের মতো বেশ তীব্র ছিল। মাত্র ৩০ মিনিটের মাথায় সূচক ১০৭ পয়েন্ট পড়ে যায়।
এদিকে, পুঁজিবাজারের পরিস্থিতি চরম পর্যায়ে পৌঁছায় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গতকালের পর আজ মঙ্গলবারও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কার্যালয়ের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টা পর্যন্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১০৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪০৩৫ পয়েন্টে। এ সময়ের মধ্যে লেনদেন হওয়া ১৮০টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ার দাম বাড়ে ৪টির, কমে ১৬৮টির এবং অপরিবর্তিত থাকে ৮টি কোম্পানির শেয়ার। টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ২০ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। সোমবার ডিএসইর সাধারণ সূচক অবস্থান করে ৪১৪৫ পয়েন্টে।
এদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও(সিএসই) পতন দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। সকাল ১১টা পর্যন্ত সিএসইর সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৬৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৭৪৪৯ পয়েন্টে।এসময়ের মধ্যে লেনদেন হওয়া ১০৭টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ার দাম বাড়ে ১টির, কমে ১০০টির এবং অপরিবর্তিত থাকে ৬টি কোম্পানির শেয়ার। টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এদিকে, শেয়ার বাজারের অস্থিরতা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। বাজারের নিম্নমুখী প্রবণতায় সোমবার লেনদেন শেষে বিক্ষোভ শুরু করে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা। এক পর্যায়ে তারা সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যানের সাথে দেখা করতে চায়। কিন্তু তাদেরকে দেখা করতে না দেয়ায় অসন্তোষ বাড়তে থাকে। কঠোর পুলিশ নিরাপত্তার কারণে বাধাগ্রস্ত হন ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা। ব্যাংকগুলো এবার ভাল মুনাফা অর্জন করলেও বাজারে তারল্য পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি। বাজারে বহুবার বিভিন্ন রকমের ফান্ড দেয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তেমন কোনো ফান্ডের অর্থ পুঁজিবাজারে আসেনি। নতুন ইন্সুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের যে দুই হাজার কোটি টাকা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের যে আশ্বাস দেয়া হয়েছে তার সঠিক ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।











