শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে : প্রধানমন্ত্রী
>>>>বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিম্যান্ট (পিআরজি) ৩৭তম প্রতিস্টাবার্ষিকী উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা সশস্ত্র বাহিনীর কাজ। কাজেই এই বাহিনী আধুনিক করে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা কারো সাথে যুদ্ধ করতে চাই না। কিন্তু কেউ যদি আমাদের আক্রমণ করে তবে সেটি প্রতিহত করার মতো ক্ষমতা ও শক্তি থাকতে হবে। এই লক্ষ্যে সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে তার সরকার ফোর্সেস গোল নির্ধারণ করেছে। আর তা বাস্তাবায়নের পথে আছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতি যাতে বিশ্বের দরবারে সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে সে লক্ষ্যে তার সরকার ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানো, দুর্নীতি দমন, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ মোকাবেলা, সুশাসন নিশ্চিত, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসনের মতো আমাদের অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। গত সাড়ে তিন বছরে তাঁর সরকার সাফল্যের সাথে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। এ সময় সরকার প্রধান ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং বিদেশি অতিথিদের জীবন রক্ষায় বিশ্বস্ততার সাথে দায়িত্ব পালনের জন্য পিজিআর’র প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে দুপুরে প্রধানমন্ত্রী পিজিআর সদর দপ্তরে পৌঁছলে তিন বাহিনীর প্রধান ও পিজিআর-এর কম্যান্ড্যান্ট তাকে অভ্যর্থনা জানান। মন্ত্রিসভার সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকী, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, প্রতিরক্ষা সচিব, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব, প্রেস সচিব, পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও ভিআইপিদের নিরাপত্তার জন্য ১৯৭৫ সালের ৫৬ জুলাই পিজিআর প্রতিষ্ঠিত হয়। এদিকে, বৃহস্পতিবার বিদায়ী ডাচ রাষ্ট্রদূত আলফন্স হেনিকেন্স প্রধানমন্ত্রীর সাথে তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী। সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্য, নদী খনন, জাহাজ নির্মাণ ও বিদ্যুৎ খাতে নেদারল্যান্ডের সাথে বৃহত্তর অংশীদারিত্বের খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ তার জলবায়ু পরিবর্তনে অভিযোজন ও ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলা সংক্রান্ত বিভিন্ন কর্মসূচিতে বড় ধরনের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা প্রত্যাশা করে।’শেখ হাসিনা বলেন, টেকসই ডেল্টা ম্যানেজমেন্ট সমন্বিত পানিসম্পদ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে অভিযোজনে কৌশলগত অংশীদারিত্বের জন্য এই এমওইউ হবে একটি চমৎকার দলিল।











