আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়েই নিরবের মুক্তির আন্দোলন ত্বরান্বিত করতে হবে : ইনাম আহমদ চৌধুরী
সিলেট সংবাদ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নিরবের নি:শর্ত মুক্তি, নিখোজ বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীর সন্ধান, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি এডভোকেট সামসুজ্জামান জামানের মুক্তির দাবীতে এবং সাংবাদিক হত্যা, নির্যাতনের প্রতিবাদে সিলেট জেলা যুবদল আ¤^রখানা বিএনপির কার্যালয় সম্মুখ থেকে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন শেষে চৌহাট্টা পয়েন্টে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুনের পরিচালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা, প্রাইভেটাইজেশনের সাবেক চেয়ারম্যান ইনাম আহমদ চৌধুরী বলেন সরকারের মদদে দলীয় লোকজন সন্ত্রাসের কারণে দেশের আইন শৃংখলা পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। সেই কারণেই গত কয়েক মাসের মধ্যে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি, সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খুন ও এম.ইলিয়াস আলী, ছাত্রদল নেতা দিনার, জুনেদ আহমদ, ড্রাইভার আনসার আলীর গুমের ঘটনায় সন্দেহজনকভাবেও কাউকে আটক করতে পারেনি সরকার। তিনি বলেন তাহলে দেশে কার জন্য বর্তমান সরকার আছে? সর্বক্ষেত্রে ব্যর্থতার কারণে শাসন করার মত জনসমর্থন নেই সরকারের। তাই দেশের মানুষ এ সরকারকে আর মতায় দেখতে চায় না। ইনাম আহমেদ চৌধুরী বলেন আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়েই ইলিয়াসকে ফিরে আনতে হবে এবং নিরব, জামানের মুক্তির আন্দোলন ত্বরান্বিত করতে হবে। এই সরকারের কাছে কোন দাবী করে লাভ নেই। বিরোধী দলকে দমন ও বিএনপি নেতাদের হত্যা-গুম-গ্রেফতার করাই সরকারের কাজ। তাই দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রা করতে হলে বর্তমান মির্জাফরদের চিহ্নিত করে আন্দেলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এম.ইলিয়াস আলীকে আমাদের খুজে বের করতে হবে। প্রধান অতিথি বলেন বিএনপি মতায় আসলে অবশ্যই ইলিয়াস আলী, দিনার, জুনেদ ও আনসার গুমের সাথে জড়িতদের বিচার করা হবে। এ সময় যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নিরবের নি:শর্ত মুক্তি, ইলিয়াস আলীর সন্ধান, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সামসুজ্জামান জামানের মুক্তির দাবী জানিয়ে বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছাদিকুর রহমান ছাদিক, যুগ্ম-সম্পাদক নিজাম উদ্দিন জায়গীরদার, মহানগর যুবদল নেতা শামীম মজুমদার, মামুনুর রহমান মামুন, হেলাল উদ্দিন, আলী আহমদ হীরা, আব্দুল মালেক, এডভোকেট মুজিবুর রহমান মুজিব, আলা উদ্দিন আলাই, সুলতান আহমদ বাবু, আল মামুন খান, সাহাবুদ্দিন আহমদ, মন্তাজ হোসেন মুন্না, মনির হোসেন, দেলোয়ার হোসেন দিলু, হাবিবুর রহমান হাবিব, ফরিদ উদ্দিন, সাহেদ আহমদ, সুহেল আহমদ, সোলেমান আহমদ সিদ্দিকী, কামাল আহমদ, আব্দুস সোবহান, রহমত আলী তারেক, শরীফ উদ্দিন মেহেদী, আব্দুল বাছিত, সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, আজাদুর রহমান আজাদ, সালা উদ্দিন আহমদ, শফিক নুর, মোকসুদুল করিম নুহেল, এডভোকেট মিজানুর রহমান, সুজন আহমদ, আলী আহমদ আলী, হেলাল উদ্দিন, আলতাফ হোসেন, গোলাম কিবরিয়া, মতিউর রহমান রাজা, শামীম আহমদ, এহসানুল করিম মিশু, মুহিত হাসান, এটিএম ফয়েজ, আসাদ আহমদ, নুর মোহাম্মদ, তোফায়েল আহমদ, ফারুক আহমদ, জাহাঙ্গীর আলম, বাবুল আহমদ, আমির হোসেন হাজারী, আব্দুল গফুর, শিপন চন্দ্র, নেছার আহমদ, আবুল ফয়েজ, জয়নুদ্দিন, এমএম দিলোয়ার, সমছু উদ্দিন, শামীম আহমদ চৌধুরী, নুর আলম, জিতু বাবু, কয়েছ আহমদ, রফিক উদ্দিন, ফয়েজ আহমদ, মোঃ আব্দুল হাসিম, মোঃ সিরাজ উদ্দিন, মোঃ আজির উদ্দিন, মোঃ রয়েল আহমদ, মোঃ হারুন মিয়া, মোঃ আলী আজগর, মোঃ বদরুল আলম, মোঃ বদরুল আলম, মোঃ আফরোজ মিয়া, রমজান আলী, ইমনার আহমদ, জাবেদ আহমদ, মন্টু নাথ, ছালেক আহমদ, মুন্না আহমদ, ময়নুল ইসলাম মঞ্জু, আলম হোসেন জানু, মুহিব উদ্দিন, আজিজুর রহমান, আসাদুজ্জামান, শামীম আহমদ, মোঃ খলিলুর রহমান, মোঃ আব্দুর রকিব, মোঃ খুকু মিয়া, মোঃ সফিকুর রহমান, মামুন রশিদ মামুন, মোঃ কালা মিয়া, সোলেমান তালুকদার, মামুন রশিদ, দুলাল আহমদ, এনাম উদ্দিন প্রমুখ।











