0
স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ মামলা মোকাবেলায় বর্ধিত হচ্ছে ইসির আইনজীবী প্যানেল
সিলেট সংবাদ : নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আইনজীবী প্যানেলে আরো ৩ জন সিনিয়র আইনজীবীকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলোর আইনি মোকাবেলায় নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী প্যানেল আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগের অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ জানান। শিগগিরই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে কমিশন বৈঠকে সিনিয়র ২২ জন আইনজীবীর নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এই তালিকায় আরো বেশ কিছু সিনিয়র ও বিচক্ষণ আইনজীবীর নাম যুক্ত হবে এবং এসব প্রাজ্ঞ ও বিজ্ঞ আইনজীবীদের মধ্য থেকে আলোচনা সাপেক্ষে তিনজনের নাম চূড়ান্ত করা হবে। বর্তমানে আপিল বিভাগে মাহমুদুল ইসলাম এবং হাইকোর্টে ড. শাহদীন মালিক ইসি’র আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। হাইকোর্ট বিভাগে মামলা পরিচালনায় আরও ৩জন আইনজীবী নিয়ে ইসি’র আইনজীবী প্যানেল ৫ জনে উন্নীত করা হবে বলে মো. শাহনেওয়াজ জানান। এদিকে দুই ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের আইনি জটিলতা নিরসনে আগামী মঙ্গলবার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ জন্য বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সচিব, অ্যাটর্নি জেনারেল ও ইসির আইনজীবী ড. শাহদীন মালিককে চিঠি পাঠানো হয়েছে।বৈঠকে দ্রুত ডিসিসি নির্বাচন অনুষ্ঠানে কি করণীয় আছে এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে মতামত নেয়া হবে। কমিশন সূত্র জানায়, আইনি জটিলতা দূর করে দ্রুত নির্বাচন অনুষ্ঠানে করণীয় ঠিক করতেই এ বৈঠকের আহ্বান করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে সঙ্গে নিয়ে কিভাবে আইনি জটিলতা মোকাবেলা করা যায় তাও নির্ধারণ করা হবে। এ ছাড়া সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে কমিশন সতর্কতার সঙ্গে সামনে এগুতে চায়। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. জাবেদ আলী বলেন, আদালতের রায়ের কপি হাতে পাওয়ায় যথানিয়মে রুলের জবাব দেয়া হবে। প্রয়োজনে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে। অল্প সময়ের মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠান করার সব ধরনের চেষ্টাই করা হচ্ছে। ২৪ মে ভোটের তারিখ নির্ধারণ করে নির্বাচন কমিশন গত ৯ এপ্রিল ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছিল। তফসিল ঘোষণার পর ডিসিসির দুই ভাগে মেয়র পদে ২৪টি ও কাউন্সিলর পদে ১৩ শতাধিক মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হয়।হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ-এর পক্ষে মহাসচিব এডভোকেট আসাদুজ্জামান সিদ্দিক স্থানীয় সরকার সিটি কর্পোরেশন আইন প্রতিপালন না করে তফসিল ঘোষণা করায় তা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করে। সিইসি ও স্থানীয় সরকার সচিবসহ আটজনকে এই রিটে প্রতিপক্ষ করা হয়।এই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ১৬ এপ্রিল নির্বাচনে তিন মাসের স্থগিতাদেশ দেয়ায় কমিশন নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত করে। এর আগে সর্বশেষ ১৯৯৩ সালে অবিভক্ত ডিসিসির সীমানা নির্ধারণ হয়েছিল। ওই সীমানা দিয়ে ১৯৯৪ সালে ও ২০০২ সালে ডিসিসি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কাজী রকিবউদ্দীনের নেতৃত্বাধীন কমিশন দায়িত্ব বুঝে নেয়ার পরপরই ১৮০ দিনের মধ্যে বিভক্ত ডিসিসি নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতার মধ্যে পড়ে। সময় স্বল্পতার কারণে নতুন করে সীমানা নির্ধারণ না করেই এ কমিশন ৯ এপ্রিল বিভক্ত ডিসিসি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে।










