0

অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ডাক,তার,টেলিকম এবং তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা …………… লেখক ও গবেষক- মোঃ নূরুল ইসলাম মজুমদার

আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে হৃদয় দিয়ে ভালবাসি। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আমরা সকলে মিলে আমাদের দেশটিকে স্বাবলম্বী  করে গড়ে তুলতে চাই, ইহাই আমাদের অঙ্গীকার ও প্রতিজ্ঞা। আমাদের দেশকে অন্য কোন দেশের লোক এসে প্রতিষ্ঠিত করে দিবে না বরং অন্য দেশ/রাষ্ট্র আমাদেরকে পদাবনত করে রাখতে চাইবে। ছোট আয়তনের ঘনবসতিপূর্ণ আমাদের এ দেশে যেভাবে হু হু করে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যেমন- বর্তমান ও আগত মানুষগুলোর জন্য শান্তির বাসযোগ্য আবাস ভূমি গড়ে তোলার লক্ষ্যে সূদুর প্রসারী ভবিষ্যত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে না পারলে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে  আমাদের দেশটি মহা বিপর্যয়ের সম্মুখীন হবে। মানুষের মৌলিক অধিকার অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হলে সুনির্দিষ্ট কর্মসূচী প্রনয়ন খুবই জরুরী। সরকারের নিকট আলাদিনের প্রদীপ বা গায়েবী ধন নেই যা দিয়ে এককভাবে সকল মানুষের সব সমস্যা সমাধান করে দেয়া সম্ভব। সরকার এবং সর্বসাধারণ সম্মিলিতভাবেই দেশকে সমৃদ্ধশালী দেশে পরিনত করতে হবে। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছি। স্বাধীনতার পর ৪০টি বৎসর পেরিয়ে গেছে অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জিত হয়নি। দেশী-বিদেশী কায়েমী স্বার্থবাদীরা সুকৌশলে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে ধুম্রজাল সৃষ্টি করে সঠিকপথে এগুতে দিচ্ছে না। অজ্ঞতা সহ নানা কারণে সঠিক পথের সন্ধানের পরিবর্তে আমরা পথহারা পথে পরিচালিত হচ্ছি। একবিংশ  শতাব্দীর এ বিশ্বায়নের  যুগে প্রয়াত ষ্টীভ জবসের তথ্য প্রযুক্তির আবিষ্কারে তিনি যে অবদান রেখে গেছেন তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করছি। মেধা,প্রজ্ঞা,মনোবল ও দৃঢ় নেতৃত্ব দিয়ে পৃথিবীকে তিনি কাঁপিয়ে দিয়েছেন, ইহা একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। মানুষের ইচ্ছাশক্তি থাকলে অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়। আমরা যদি চেষ্টা করি তবে প্রয়াত জবস যে শ্রম দিয়ে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন উক্ত অনুকরণীয় উদাহরণ আমাদেরকে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা যুগাতে পারে।পৃথিবীর নিত্য-নতুন আবিষ্কার সহ অনেক ক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে রয়েছি। বিজ্ঞানীদের  আবিস্কৃত সকল প্রযুক্তি আমরা ভোগ করতে পারছিনা এমনকি উন্নত বিশ্বের মত কাজেও লাগাতে পারছিনা। আমরা যদি অর্র্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য স্থায়ী অবকাঠামো গড়ে তুলতে পারি তবে আমাদের দেশের জনগনের জন্য বয়ে আনতে পারব সুখ ও সমৃদ্ধি। তথ্য প্রযুক্তির কারণে পৃথিবী আমাদের হাতের মুঠোয় চলে এসেছে, তাই পৃথিবীর সকল প্রান্তের উন্নতি ও অগ্রগতি আমরা ঘরে বসেই দেখতে পাচ্ছি। উন্নত দেশের ন্যায় আমাদের দেশটিও উন্নতির চরম শিখরে আরোহন করুক ইহাই আমাদের প্রত্যাশা ও কামনা। আজকে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেতে চাই, উক্ত বিষয়টি একটি অতিগুরুত্বপূর্ণ সেক্টর। আমরা প্রতিনিয়ত দেখতে পাচ্ছি মোবাইল কোম্পানীগুলো আমাদের দেশের আকাশ ব্যবহার করে, বাতাস বিক্রি করে, হাজার হাজার কোটি টাকা আয় করে নিয়ে যাচ্ছে, আমরা শুধু বোকার মত তাকিয়ে-তাকিয়ে দেখছি অথচ আমাদের জাতীয় সম্পদ টেলিটকের কোন সাড়া শব্দ নেই, মনে হয় আমরা অঘোর ঘুমে আচ্ছন্ন, যেন আমাদের বোধশক্তি হারিয়ে গেছে। বেশি দিন আগের কথা নয় গত কয়েক বছর আগে যখন টেলিটকের সীম বাজারে আসে তখন মানুষ একটি টেলিটক সীমের জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ে, তা আমরা সবাই প্রত্যক্ষভাবে অবলোকন করেছি। টেলিটক আমাদের রাষ্ট্রের একমাত্র প্রতীক। তৎসময়ে যখন টেলিটকের যাত্রা ও প্রতিযোগিতা শুরু হচ্ছিল তখনই অন্যান্য মোবাইল কোম্পানীগুলো তাদের কল রেইট কমাতে শুরু করে, কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তুঙ্গেঁ থাকা টেলিটক হঠাৎ করে নিভে যায়,এ বিষয়টি আমাদেরকে পীড়া দেয় এবং মনে করিয়ে দেয়, নবাব সিরাজ-উ-দ্দৌলার পতনের কথা। আমরা কখন ঘুম থেকে জেগে উঠবো বা কেউ এসে আমাদেরকে জেগে তুলবে অথবা কেউ বাঁশি বাজাবে, তখন হয়ত ঘুম ভাঙবে, মনে হয় এ অপেক্ষায় রয়েছি। অতীতে জনগনের কষ্টার্জিত অর্থে গ্রামে-গঞ্জে, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে, ডাক বিভাগ এবং ই.ঞ.ঈ.খ এর বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলা হয়েছিল, আজ দেখা যাচ্ছে উক্ত স্থাপিত অবকাঠামোগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে,যাহা আমাদের মোটেই কাম্য নহে। টেলিটক সহ যত গুলো সরকারী নেটওয়ার্ক আছে সব গুলোকে একীভূত করে ডিজিটাল বাংলাদেশের কর্মসূচী বাস্তবায়নে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক। ডাক বিভাগ এবং ই.ঞ.ঈ.খ কে দায়িত্ব দেয়া হলে প্রতি মূহর্তে সকল স্তরের সরকারী, আধা সরকারী স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং এনজিওদের জবাবদিহীতার বিষয় সংক্রান্ত কার্যক্রমের ‘তাৎক্ষনিক সংবাদ’ সরকারের নিকট প্রেরণ করা সম্ভব । ডাক বিভাগ এবং ই.ঞ.ঈ.খ কে গুরুত্বপূর্ণ ওয়েব সাইট/তথ্য অফিস হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে। ডাক বিভাগ এবং ই.ঞ.ঈ.খ কে টেলিটকের সহায়ক শক্তি হিসেবে ব্যবহার করা গেলে অন্যান্য মোবাইল কোম্পানী গুলোর ন্যায়, আমাদের ডাক বিভাগ এবং ই.ঞ.ঈ.খ দেশের সর্বোচ্চ আয়ের উৎস-খাত হিসেবে পরিণত হবে। ডাক বিভাগ এবং ই.ঞ.ঈ.খ কে আমাদের দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জাতীয় স্বার্থেই চাঙ্গা করতে হবে এর কোন বিকল্প নেই। ভবিষ্যতে যাতে আমাদের দেশ, দাতা সংস্থার উপর নির্ভর করতে না হয়, এ লক্ষ্য অর্জনে যে সকল সরকারী সেবা বিভাগ রয়েছে  যেমন ১। প্রশাসন ২। সেনা বাহিনী ৩। নৌ বাহিনী ৪। বিমান বাহিনী ৫। পুুলিশ বাহিনী ৬। বি জি পি ৭। আনসার ভিডিপি ৮। ফায়ার সার্ভিস ৯। র‌্যাব ১০। কৃষি ১১। শিক্ষা ১২। স্বাস্থ্য ১৩।  পরিবার পরিকল্পনা ১৪। পশু সম্পদ ১৫। সমাজ সেবা ১৬। মহিলা বিষয়ক ১৭। যুব উন্নয়ন ১৮। বাংলাদেশ শিশু একাডেমী ১৯। সমবায় ২০। বি আর ডি বি ২১। এল জি আর ডি ২২। পাবলিক হেল্থ ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ২৩। ডাক বিভাগ এবং ই.ঞ.ঈ.খ ২৪। টেলিটক। উক্ত ২৪টি বিভাগের মধ্যে ১ থেকে ২২ নম্বর ক্রমিক পর্যন্ত ১% হারে এবং ২৩ ও ২৪ নম্বর ক্রমিক  পর্যন্ত  ৩৯% হারে মালিকানা প্রদান করে সম্পূর্ণ রাজস্ব খাতের আওতায় গ্র“প অব কোম্পানী করা গেলে বোর্ড মিটিং-এ যেকোন জরুরী সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে ডাক বিভাগ, ই.ঞ.ঈ.খ ও টেলিটককে একটি সম্মানজনক অবস্থানে দাঁড় করানো সম্ভব। উল্লেখ্য যে,প্রস্তাবিত বিভাগ গুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারী তাদের পরিবারবর্গ এবং আত্মীয়স্বজন টেলিটকের মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে, এ দেশের অধিকাংশ মানুষ নিঃসন্দেহে একটি বৃহৎ নেটওয়ার্কের আওতায় চলে আসবে।  এ খাতের আয় থেকে সরকারী কোষাগারে এবং প্রস্তাবিত বিভাগ গুলোর জন্য ১% আয় দিয়ে কল্যাণ তহবিল গঠন করে, বিভাগীয় আনুসাঙ্গিক বিভিন্ন ব্যয় মিটানো গেলে বাৎসরিক সরকারী বাজেটে আনুসাঙ্গিক খাতের বরাদ্দের চাপ কমবে, উল্লেখিত সেটআপটি গঠন করা গেলে আমাদের দেশে একটি শক্তিশালী ফোরাম গড়ে উঠবে, তখন  প্রশাসন সহ উল্লেখিত গ্র“প অব কোম্পানীর বিভাগ গুলো বন্যা, মহামারি, জলোচ্ছাস, ভূমিকম্প তথা দেশের যে কোন দূর্যোগ ও জরুরী অবস্থা মোকাবেলায় মাত্র ১ ঘন্টার শর্ট নোটিশে মিলিত হয়ে রাষ্ট্রীয় স্বার্থে যে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে সক্ষম হবে। প্রস্তাবিত কর্মসূচী বাস্তবায়নে সম্মিলিত ভাবে ঝাঁপিয়ে পড়লে এদেশের উন্নয়ন কেউ ঠেঁকিয়ে রাখতে পারবে না। এ কাজটি বাস্তবায়ন করতে পারলে পৃথিবীর বুকে আমরা একটি উন্নত দেশ হিসেবে অল্প সময়ের মধ্যে পদার্পণ করতে পারবো।  আরোও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করতে চাই যে যেমন: বেসরকারীভাবে ঝ.অ পরিবহনের মাধ্যমে অর্থের লেনদেন/আদান-প্রদান হয়ে থাকে। যদি টেলিটক ও ডাক বিভাগ এবং ই.ঞ.ঈ.খ মাধ্যমে ঝ.অ পরিবহনের ন্যায় অর্থের লেনদেন তৃনমুল পর্যায়ে জনগনের দোরগড়ায় পৌঁছে দেয়া যায়, তবে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে এবং অতি অল্প সময়ের মধ্যে টেলিটক একটি আয়বর্ধক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে সক্ষম হবে, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করার জন্য সরকারের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ঝ.অ পরিবহণ কোন পদ্ধতিতে টাকা আদান-প্রদান করে থাকে, সরকারের পক্ষ থেকে  তাহা খতিয়ে দেখা দরকার। তারা যদি কোটি কোটি টাকার ব্যবসা- বাণিজ্য সহজ উপায়ে করতে পারে তবে ডাক বিভাগ এবং বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানী লিমিটেড ই.ঞ.ঈ.খ কেন পারবেনা?আরোও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা করা খুবই জরুরী যে,  ডাক বিভাগের ইতিহাস অতি প্রাচীন, এ বিভাগটি একটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান। অধিকাংশ মানুষের ধারণা, ডাক বিভাগ শুধুমাত্র চিঠি পত্র আদান-প্রদান করে থাকে, এ ধারণাটি, সম্পূর্ণ ভুল। ডাক বিভাগের মত সেবা খাতে জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো সহ ২৪টি  বিভাগ রয়েছে, যাহা সর্বসাধারনের নিকট সম্পূর্ণ অজানা ও অচেনা। রাষ্ট্রের  রাজস্ব আয়ের  একটি বড় খাতকে বিজ্ঞানের এই যুগে  যুগপোযুগী কর্মসূচী গ্রহণ করা হচ্ছে না তাহা কল্পণা বা চিন্তা করলে গা শিহরিয়ে উঠে। আমাদের  দেশের  উন্নয়ন ও অগ্রগতির লক্ষ্যে বাজেট প্রণয়নের সময় বিদেশে দাতা সংস্থার নিকট ধর্না দিতে হয় এবং অনেক সময় ব্যাংক থেকে সরকার ঋণ নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যয় মিটাতে হয় অথচ আমাদের আয়ের একটি বড় রাজস্ব খাতকে আড়াল করে রাখা হয়েছে। কি আশ্চাযর্, ভাবতেও অবাক লাগে। ডাক বিভাগ নিয়ে সংবাদ পত্রে এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় যদি বাস্তবচিত্র এবং অনুসন্ধানী রিপোর্ট সরকারের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য তুলে ধরা যায়, তবে আমাদের রাষ্ট্রের কল্যাণ বয়ে আনার জন্য একটি মাইল ফলক হিসেবে কাজ করবে। ডাক বিভাগ ই.ঞ.ঈ.খ কে চাঙ্গা করা গেলে দেশের অর্থনীতির রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতে দ্রুত সম্ভাবনার দ্বার উন্মুচিত হবে। আরও একটি বিষয় উল্লেখ প্রয়োজন যে, বিগত ১৯৯৫ সালের ১লা আগষ্ট, সিলেট বিভাগের ঘোষণা ও কার্যকম শুরু হয়। পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, সিলেট বিভাগে বেসরকারী বীমা কোম্পানী এবং বেসরকারী ব্যাংক গুলো এক চেটিয়া ব্যবসা করে যাচ্ছে অথচ রাষ্ট্রীয় খাত ডাক জীবন বীমার কার্যক্রম পিছিয়ে রয়েছে। একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে, ডাক জীবন বীমার, বিভাগ পর্যায়ের জবমরড়হধষ অফিসটি বিগত ১৬ বছর অতিক্রান্ত হলেও আজ পর্যন্ত বিভাগ পর্যায়ের জবমরড়হধষ অফিস টি চট্টগ্রাম থেকে সিলেটে স্থানান্তরিত হয়নি। একটি ছোটখাটো সিদ্ধান্ত এবং সার্বিক কার্যক্রমের জন্য বর্তমানেও সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের দাপ্তরিক কাজের জন্য চট্টগ্রাম যেতে হচ্ছে, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।  যে কার্যালয়টি ১৬ বৎসর পূর্বে সিলেটে স্থানান্তরিত  হওয়ার কথা ছিল। কেন? জবমরড়হধষ অফিসটি সিলেটে স্থানান্তরিত হয়নি এর যুক্তি সংগত কোন কারণ নেই বা থাকতে পারে না। বিগত ১৬ বছর সিলেটের মানুষ / গ্রাহকবৃন্দকে কষ্ট দিয়ে কর্তৃপক্ষের কি লাভ হয়েছে, বিষয়টি ভেবে দেখার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। জনগনের কল্যাণে যদি অফিস -আদালতের সৃষ্টি হয়ে থাকে তবে জনগনের কল্যাণ নিশ্চিত করা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ও কর্তব্য। জবমরড়হধষ অফিসটি চট্টগ্রাম থেকে সিলেটে স্থানান্তরিত হলে বীমাকারীর হার অনেক বেড়ে যাবে এবং সার্বিক সমস্যা সমূহ দ্রুত ও তাৎক্ষণিক সমাধান হবে। খোঁজ নিয়ে আরোও জানা যায় যে, বরিশাল বিভাগের জবমরড়হধষ  অফিসটিও বিভাগীয় সদরে স্থানান্তরিত হয়নি। আমাদের প্রত্যাশা অচীরেই বিভাগীয় শহর সিলেট, বরিশাল এবং নতুন বিভাগ রংপুরে ডাক জীবন বীমার জবমরড়হধষ অফিস সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অফিসগুলো স্থাপিত হবে ইহাই কাম্য, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

About the Author

মন্তব্য দিন

You must be logged in to post a comment.

  • Bangla Radio 24

  • ফায়ারফক্সে স্বয়ংক্রীয় ক্রিকেট স্কোর দেখুন

  • বিজ্ঞাপন

  • সিলেট সংবাদ ডটকম

  • কোন বাঁধা মানবো না


  • ......................

  • ক্যালেন্ডার

  • 123 ...................... slide11
  • অনুসন্ধান-ক্যালেন্ডার

    ফেব্রুয়ারি 2012
    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহঃ শুক্র
        মার্চ »
     123
    45678910
    11121314151617
    18192021222324
    2526272829  
  • Recent Comments

  • বিজ্ঞাপনের জন্য বরাদ্দ। আমাদের ওয়েব সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুন। ইমেইল: sylhetsangbad24[@]gmail.com,

    >>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>> 222222221
  • নচিকেতা-বৃদ্ধাশ্রম